জ্বালানী নিরাপত্তা ও বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি: মধ্যপ্রাচ্য সংকটকে ঘিরে জ্বালানীর বিকল্প উৎস কী?

জ্বালানী নিরাপত্তা ও বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি: মধ্যপ্রাচ্য সংকটকে ঘিরে জ্বালানীর বিকল্প উৎস কী?

পৃথিবীর কম সংখ্যক রাষ্ট্রই জ্বালানী নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব কিংবা পররাষ্ট্রনীতির ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দিয়ে থাকে। বাংলাদেশও তার ব্যতিক্রম নয়। সময় এসেছে এ বিষয়ে পুনরায় বিচার-বিশ্লেষণ করা এবং বিকল্প জ্বালানী নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা। উন্নত বিশ্ব বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রসহ অন্যান্য পরমাণু অস্ত্র ক্ষমতাসম্পন্ন রাষ্ট্রসমূহ জ্বালানী নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে থাকে। ২০০১ খ্রিস্টাব্দে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশ জ্বালানী নিরাপত্তাকে ‘‘আমাদের পররাষ্ট্রনীতির অগ্রাধিকার” এবং ‘অভ্যন্তরীণ নীতির মূল কেন্দ্র’ হিসেবে নির্ধারিত হওয়া উচিত বলে উল্লেখ করেছেন। পরবর্তীতে প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামাসহ বর্তমান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও জ্বালানীর নিরাপত্তা ক্ষেত্রে একই দৃষ্টিভঙ্গি ও গুরুত্ব দিয়ে এসেছেন। সুতরাং সময় এসেছে বাংলাদেশ জ্বালানি নিরাপত্তাকেও একই গুরুত্ব এবং অগ্রাধিকার দেওয়ার

মতামত থেকে আরও খবর

মে দিবসের চেতনা ও ইসলামে শ্রমিকের অধিকার

মে দিবসের চেতনা ও ইসলামে শ্রমিকের অধিকার

যুগ যুগ ধরে সভ্যতার চাকা সচল রেখেছে যে মেহনতি মানুষ, তাদের ইতিহাস কেবলই বঞ্চনা আর রক্ত ঝরার। রোদে পুড়ে; বৃষ্টিতে ভিজে তিল তিল করে তারা গড়ে তোলে আকাশচুম্বী অট্টালিকা, অথচ দিনশেষে তাদের নিজেদেরই মাথা গোঁজার ঠাঁই জোটে না পুঁজিবাদী সমাজে। পুঁজিপতিদের মুনাফার পাহাড় যাদের হাড়ভাঙা খাটুনির ওপর দাঁড়িয়ে, সভ্যতার সেই কারিগররাই বরাবর থেকেছে শোষণের যাঁতাকলে পিষ্ট হয়ে। নিভৃতে যুগের পর যুগ ঘাম ঝরানো এই মানুষগুলোর দীর্ঘশ্বাস আর অধিকারের নিশ্চয়তা যেন কালের গহ্বরে হারিয়ে গেছে। বর্তমান বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে যখন দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে শ্রমিকের জীবন ওষ্ঠাগত এবং ন্যায্য মজুরি নিয়ে রাজপথে হাহাকার চলছে, তখন মে দিবসের রক্তঝরা ইতিহাস আর ইসলামের শাশ্বত শ্রমনীতির বাস্তবায়ন অপরিহার্য হয়ে দাঁড়িয়েছে বলাটা অবাঞ্ছনীয় হবে না।