ইবিতে শিক্ষক নিয়োগ দৌঁড়ে এগিয়ে ১ম বর্ষে ফেল করা শিক্ষার্থী! 

ইবি প্রতিনিধি

প্রকাশ: ১৭:১৭, ২৯ জুন ২০২৬

ইবিতে শিক্ষক নিয়োগ দৌঁড়ে এগিয়ে ১ম বর্ষে ফেল করা শিক্ষার্থী! 

ছবি: সংগৃহীত

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ইনফরমেশন এন্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি (আইসিটি) বিভাগে চলছে প্রভাষক পদের নিয়োগ বোর্ড। এতে স্বজনপ্রীতি ও ১ম বর্ষে অকৃতকার্য হওয়া শিক্ষার্থী ফিরোজা নাজনীন নিয়োগ প্রতিযোগিতায় এগিয়ে বলে অভিযোগ উঠেছে। 

আজ সোমবার (২৯ জুন) দুপুরে শুরু হওয়া লিখিত পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হলে এমন তথ্য জানাজানি হয়। লিখিত পরীক্ষায় প্রকাশিত ফলাফলে ৭জন নিয়োগপ্রার্থীর নাম দেখা যায়। তারা হলেন— ফিরোজা নাজনীন, শারমিন তাজিরা অনন্যা, কাশফিয়া শাওকী, মো. রাকিবুল ইসলাম, মো. মাসুদ রানা, মো. আবু রুম্মান রিফাত ও মো. রাকিবুল ইসলাম।

বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, আইসিটি বিভাগের ২০০৮-৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ফিরোজা নাজনীন প্রথম বর্ষে একটি কোর্সে অকৃতকার্য হয়। পরে প্রথম বর্ষের ফলাফল সিজিপিএ ২.৯৮ অর্জন করে।  অকৃতকার্য হওয়া কোর্সটির শিক্ষক ছিলেন— অধ্যাপক মো. আশেক রায়হান মাহমুদ। এদিকে অন্য কোর্সে ‘ইম্প্রুভ’ দিলেও সার্টিফিকেট থেকে ‘ইম্প্রুভ’ শব্দটি মুছে ফেলার অভিযোগ রয়েছে।

এছাড়া নিয়োগ প্রতিযোগিতার দৌঁড়ে এগিয়ে থাকা শিক্ষার্থী ফিরোজা’র স্বামী স্বয়ং আইসিটি বিভাগের অধ্যাপক ড. জাহিদুল ইসলাম।

জানতে চাইলে সংশ্লিষ্ট কোর্স শিক্ষক আশেক রায়হান জানান,ওই শিক্ষার্থী ফেল করছিল, কোর্সের নাম— ইলেক্ট্রনিক ম্যাগনাটিয়াম....। তবে স্বজনপ্রীতি নিয়ে মন্তব্য করেননি তিনি।

সংশ্লিষ্ট বিষয়ে জানতে চাইলে ফিরোজা’র স্বামী আইসিটি বিভাগের অধ্যাপক জাহিদুল ইসলাম বলেন, “নিয়োগের বিষয়ে আমি বিস্তারিত জানি না। রিটেক না ইম্প্রুভ সেগুলো তো অভিযোগ হতে পারে না, এগুলো তো ডকুমেন্টারি। একাডেমিক রিলেটেড বিষয়ে ওই প্রার্থী বলতে পারবে বা একাডেমিক শাখায় খোঁজ নিলে জানতে পারবেন।”  

এবিষয়ে জানতে চাইলে নিয়োগপ্রত্যাশী ফিরোজা বলেন, আমাদের লিখিত-ভাইভা সব শেষ হয়েছে। বাকিটা তো বলা যায় না। ১ম বর্ষে ফেল করা নিয়ে প্রশ্ন করলে তিনি “বুঝতে পারছি না, নেট সমস্যা” বলে মোবাইল সংযোগ কেটে দেয়। বিষয়টি স্পষ্ট করতে পুনরায় কল দিলে সংযোগ পাওয়া সম্ভব হয়নি। 

এবিষয়ে জানতে মুঠোফোনে একাধিকবার কল দিলেও রিসিভ করেননি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. একেএম মতিনুর রহমান।

রবিউল আলম/জিএ

এ সম্পর্কিত খবর

আরও পড়ুন