‘ডাকসু প্রশাসনের এক্সটেনশন নয়, শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ের প্ল্যাটফর্ম’

টিএনএন ডেস্ক

প্রকাশ: ০৮:৩৩, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

‘ডাকসু প্রশাসনের এক্সটেনশন নয়, শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ের প্ল্যাটফর্ম’

ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কোনো ‘এক্সটেনশন’ বা বর্ধিত অংশ নয়; বরং এটি শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ের প্ল্যাটফর্ম বলে মন্তব্য করেছেন ডাকসুর সহকারী সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) মুহাম্মদ মহিউদ্দিন খান।

শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।

সম্প্রতি ডাকসুর উদ্যোগে ‘শিক্ষণ মূল্যায়ন’ কার্যক্রম চালুকে ক্ষমতাবহির্ভূত আখ্যা দিয়ে এ বিষয়ে ডাকসুর কাছে জবাবদিহিতা চাওয়ার কথা জানিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। একই সঙ্গে কার্যক্রমে জড়িত ডাকসু প্রতিনিধিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়েছে।

এর প্রতিক্রিয়ায় মহিউদ্দিন খান বলেন, প্রশাসন ডাকসুকে ‘প্যারালাল প্রশাসন’ হিসেবে দেখানোর আলোচনা শুরু করেছে। তাঁর অভিযোগ, প্রশাসন ডাকসুর মতো গতিশীল একটি প্রতিষ্ঠানকে নিজেদের কাঠামোর মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখতে চায়।

তিনি বলেন, ডাকসু প্রশাসনকে ‘জি হুজুর’ বলার জন্য গঠিত কোনো প্ল্যাটফর্ম নয়; এটি শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ের প্ল্যাটফর্ম। শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ে যে প্রশাসনের সঙ্গে মতবিরোধ হবে, ডাকসুর সঙ্গে সেই প্রশাসনের বিরোধ অনিবার্য বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন পর্যায়ের ‘সিন্ডিকেট’ প্রসঙ্গে ডাকসু এজিএস বলেন, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের নিজ নিজ স্বার্থসংশ্লিষ্ট কাঠামোর কাছে শিক্ষার্থীরা অনেক ক্ষেত্রে জিম্মি। ডাকসু এসব কাঠামোকে চ্যালেঞ্জ করে বলেই এর বাজেট না থাকা এবং পরবর্তী ডাকসু নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তার মতো বিষয়গুলো তৈরি হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

সবশেষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে ‘ইনসিকিউরিটি’ থেকে বেরিয়ে আসার আহ্বান জানান মহিউদ্দিন খান। তাঁর ভাষ্য, ‘প্যারালাল প্রশাসন’ নিয়ে আলোচনা প্রশাসনের প্রশাসনিক ব্যর্থতারই প্রমাণ এবং ইতিবাচক কোনো উদ্যোগকে চ্যালেঞ্জ করা একটি ‘ইনসিকিউরড প্রশাসনের’ লক্ষণ।

জিএ

এ সম্পর্কিত খবর

আরও পড়ুন