টিএনএন ডেস্ক
প্রকাশ: ১৮:৫৬, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত
সারাদিন রোজা রাখার পর ইফতারে বিভিন্ন ধরনের মসলাদার ও ডুবো তেলে ভাজা খাবার খাওয়ার প্রবণতা থাকে। এসব খাবার অতিরিক্ত পরিমাণে খেলে অনেকেরই অ্যাসিডিটি, গ্যাস ও পেটজ্বালার সমস্যা দেখা দেয়। তাই ইফতার ও সেহেরিতে সচেতন খাদ্যাভ্যাস জরুরি।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অতিরিক্ত মশলাযুক্ত ও ভাজাপোড়া খাবার এড়িয়ে চলা উচিত। এর বদলে তরল, হালকা ও কম মশলাযুক্ত খাবার বেছে নেওয়া ভালো। পাশাপাশি কিছু নির্দিষ্ট খাবার রয়েছে, যা অ্যাসিডিটি কমাতে সহায়ক।
কলা
পেটের অতিরিক্ত অ্যাসিড নিয়ন্ত্রণে কলা বেশ কার্যকর। এতে থাকা পটাসিয়াম ও প্রাকৃতিক অ্যান্টাসিড উপাদান পাকস্থলীর আস্তরণকে সুরক্ষা দেয় এবং জ্বালাপোড়া কমায়। সেহরি বা ইফতারে একটি পাকা কলা রাখা যেতে পারে।
ঠান্ডা দুধ
ইফতারের পর অ্যাসিডিটি হলে এক গ্লাস ঠান্ডা দুধ উপকার দিতে পারে। দুধ পাকস্থলীর অতিরিক্ত অ্যাসিড শোষণ করে অস্বস্তি কমাতে সাহায্য করে। তবে যাদের ল্যাক্টোজ ইনটলারেন্স রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে দুধ এড়িয়ে চলাই ভালো।
ডাবের পানি
লেবুর শরবতের পরিবর্তে ডাবের পানি হতে পারে ভালো বিকল্প। এটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও প্রয়োজনীয় খনিজে সমৃদ্ধ, যা অ্যাসিডিটি কমাতে সহায়তা করে এবং শরীরকে সতেজ রাখে।
পুদিনা পাতা
ইফতারের পর পেটজ্বালা হলে কয়েকটি পুদিনা পাতা চিবিয়ে খাওয়া যেতে পারে। চাইলে পানিতে সেদ্ধ করে সেই পানি পান করলেও উপকার পাওয়া যায়। পুদিনা হজমে সহায়ক এবং অ্যাসিডিটির অস্বস্তি কমায়।
আদা ও মৌরি
অ্যাসিডিটি কমাতে সামান্য আদা কুচি লবণ দিয়ে খাওয়া যেতে পারে। আদার অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান পেটের অস্বস্তি কমাতে সাহায্য করে। আদা খেতে অস্বস্তি হলে মৌরি চিবিয়ে খেতে পারেন, যা গ্যাস ও কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতে সহায়ক।
রোজায় সুস্থ থাকতে ইফতারে পরিমিত খাবার গ্রহণ, ধীরে ধীরে খাওয়া এবং পর্যাপ্ত পানি পান করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সচেতন খাদ্যাভ্যাসই পারে অ্যাসিডিটির ঝামেলা থেকে মুক্তি দিতে।
/এআর