চবি ছাত্রদল সেক্রেটারির বিরুদ্ধে টেন্ডারবাজি ও মিথ্যাচারের অভিযোগ চাকসু ভিপির

চবি প্রতিনিধি 

প্রকাশ: ১০:০৮, ১৬ অক্টোবর ২০২৬

চবি ছাত্রদল সেক্রেটারির বিরুদ্ধে টেন্ডারবাজি ও মিথ্যাচারের অভিযোগ চাকসু ভিপির

ছবি: সংগৃহীত

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল নোমানের বিরুদ্ধে হল মসজিদের সংস্কার কাজে টেন্ডারবাজি, বৈধ সিটের জন্য প্রভোস্টকে হুমকি এবং ক্যাম্পাসে নানা অপকর্মের অভিযোগ করেন বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদ (চাকসু) ভিপি ইব্রাহিম হোসেন রনি।

বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৩টায় চাকসু প্রাঙ্গণে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে এসব কথা বলেন। এ ছাড়াও আগামী তিন দিনের মধ্যে ভিপির বিয়ে নিয়ে এক মন্তব্যের তথ্য-প্রমাণ হাজির করার আল্টিমেটাম দেওয়া হয়েছে।

সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন চাকসু জিএস সাঈদ বিন হাবিব, সংস্কৃতি ও প্রকাশনা সম্পাদক হারেজুল ইসলাম, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক আফনান, শিক্ষা ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক মেহেদী হাসান সহ চাকসুর অন্যান্য সম্পাদকমন্ডলী।

সংবাদ সম্মেলনে চবি ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে ক্যাম্পাসে একক আধিপত্য বিস্তার, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, শিক্ষক হেনস্তা, নির্বাচিত ছাত্র প্রতিনিধিদের মানহানি, ক্যাফেটেরিয়ায় ফাও খাওয়া, হলের বই চুরি করে বিক্রি, নারী হেনস্তা, র‍্যাগিং, সাংবাদিকদের হুমকি এবং হলে মাদক সেবনসহ বিভিন্ন অপকর্মে লিখিত অভিযোগ তুলে ধরেন চাকসু ভিপি।

চবি ছাত্রদল সেক্রেটারি নোমান বিরুদ্ধে মসজিদ সংস্কারে টেন্ডারবাজি ও বাধা প্রদান এবং সিট দখলে প্রভোস্টকে হুমকির অভিযোগ উল্লেখ করে ভিপি। তিনি লিখিত বক্তব্যে বলেন, শাহ্ আমানত হলের মসজিদ সংস্কার কাজ আটকে রাখে টেন্ডারবাজি এবং অনুসারী কর্মীর জন্য অবৈধভাবে হলে সিট দখলের জন্য সোহরাওয়ার্দী হলের সাবেক প্রভোস্ট ও দর্শন বিভাগের অধ্যাপক ড. আব্দুল মান্নানের সাথে অসোভন আচরণ ও হুমকি দেন।

ইব্রাহিম হোসেন রনি তার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে চবি ছাত্রদল সেক্রেটারি আব্দুল্লাহ আল নোমানের মিথ্যাচারের প্রতিবাদে তথ্য প্রমাণের ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দেন। তিনি বলেন, আমাকে নিয়ে ছাত্রদলের মিছিলে নোমান ১০ ভরি স্বর্ণ দিয়ে বিয়ের যে বক্তব্য দেন তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, নির্লজ্জ ও ঘৃণ্য মিথ্যাচার। 

চাকসু ভিপি তার লিখিত বক্তব্যে আরও বলেন, আগামী ৩ দিনের মধ্যে তার বক্তব্যের স্বপক্ষে উপযুক্ত তথ্য-প্রমাণ পেশ করতে পারলে আমি স্বেচ্ছায় চাকসু ভিপি পদ থেকে ইস্তফা দেব। তা না পারলে তাকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে। অন্যথায় মানহানির অপরাধে প্রচলিত আইনানুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে ব্যবস্থা নিতে হবে।

উল্লেখ্য, ছাত্রদলের অপকর্মের কারণে ক্যাম্পাস অস্থিতিশীল হলে তার দায়ভার ছাত্রদল ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকেই নিতে হবে।

জিএ

এ সম্পর্কিত খবর

আরও পড়ুন