এমবাপ্পেদের থামিয়ে ১৬ বছর পর বিশ্বকাপ ফাইনালে স্পেন

টিএনএন ডেস্ক

প্রকাশ: ০৮:৪২, ১৫ জুলাই ২০২৬

এমবাপ্পেদের থামিয়ে ১৬ বছর পর বিশ্বকাপ ফাইনালে স্পেন

ছবি: সংগৃহীত

৮৯ মিনিটে বক্সের কাছ থেকে ফ্রি-কিক পেলো ফ্রান্স। তখন দল ২-০ তে পিছিয়ে। ধারাভাষ্যকাররা বলছিলেন এমবাপ্পে এখনি নয়তো আর না। এমবাপ্পে বলটি উড়িয়ে মারলেন বারের উপর দিয়ে। সেই সঙ্গে ফ্রান্সের ফাইনালে যাওয়ার স্বপ্নটাও শেষ হয়ে যায়। এরপর ফ্রান্স আরও আক্রমণ করে গোল শোধের জন্য। তবে স্পেনের ডিফেন্সের সামনে সেসব আক্রমণই আটকে যায়। শেষ পর্যন্ত ফ্রান্সকে ২-০ ব্যবধানে হারিয়ে ফাইনালে উঠেছে স্পেন। ২০১০ সালের পর আবারও বিশ্বকাপ ফাইনালে উঠলো স্প্যানিশরা।

ডালাস স্টেডিয়ামে ম্যাচের ২০ মিনিটে ফ্রান্সের বক্সের ভেতর ইয়ামাল ফাউলের শিকার হওয়ায় পেনাল্টি পায় স্পেন। লুকাস দিনিয়ে বুঝতে পারেননি, তার ঠিক পেছনেই ইয়ামাল। বল ক্লিয়ার করতে গিয়ে তিনি ইয়ামালের পায়ে আঘাত করেন। স্পটকিক থেকে গোল করেন ওইয়ারসাবাল।

৩০ মিনিটে চোট নিয়ে মাঠ ছাড়েন উইলিয়াম সালিবা। এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় স্পেন।

লুইস দে লা ফুয়েন্তের দল ৫৮ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করে পেদ্রো পোরোর গোলে। ৬৪ মিনিটে করা ইয়ামালের গোলটি বাতিল হয় অফসাইডের কারণে। ম্যাচের শেষ ১০ মিনিট এবং যোগ করা সময়ে বেশ কয়েকটি আক্রমণ করে ফ্রান্স। ৮২ মিনিটে ভুল করে বক্সের বাইরে চলে আসেন বল ক্লিয়ার করতে। ওই সময় দুয়ের কিক ফের পেছনে সরে এসে বক্সের মধ্যে ব্লক করেন স্পেন কিপার। পরের মিনিটে হার্নান্দেজকে ঠেকান তিনি। ৮৯ মিনিটে এমবাপের শট গোলবারের ওপর দিয়ে যায়। পরের মিনিটে ফ্রান্সের এই তারকার একটি শট নিজের পেনাল্টি বক্সের মধ্যে থেকে ক্লিয়ার করেন কুকুরেয়া।

এই ম্যাচে স্পেন ছিল গতিময় ও আগ্রাসী। শুরু থেকে ফ্রান্সের ওপর চাপ তৈরি করেছে তারা। জমাট রক্ষণ আর আগ্রাসী আক্রমণ মিলে অসাধারণ ফুটবল উপহার দিয়েছে স্পেন। যদিও পরিসংখ্যান দেখলে সেটি মনে নাও হতে পারে। দুই দলই ১০টি করে শট নেয় গোলের জন্য। ফ্রান্সের ৩টি আর স্পেনের ২টি শট ছিল লক্ষ্যে।

এদিন এমবাপ্পে ৩টি শট নেন গোলের জন্য। সেগুলো রুখে দেন স্পেনের গোলকিপার। ইয়ামাল একবাল বল জালে পাঠালেও সেটি অফসাইডের কারণে বাতিল হয়। এছাড়া গোলমুখে আর কোনো শট নিতে পারেননি ইয়ামাল।

ফাইনালে স্পেনের প্রতিপক্ষ হবে আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ড দ্বিতীয় সেমিফাইনাল ম্যাচে জয়ী দল। বাংলাদেশ সময় বুধবার দিবাগত রাতে হবে আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড ম্যাচ।

জিএ

আরও পড়ুন