টিএনএন ডেস্ক
প্রকাশ: ১৯:৪৭, ১৩ জুন ২০২৬
চাকরিপ্রত্যাশিদের অবস্থান কর্মসূচি। টিএনএন
চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩৫ করার দাবিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যে ৩৫তম দিনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে চাকরি প্রত্যাশী শিক্ষার্থী। সাধারণ শিক্ষার্থীবৃন্দের ব্যানারে ১৯ এপ্রিল থেকে একই দাবিতে অনঢ় তারা। তবে যত দিন গড়াচ্ছে ততই শিক্ষার্থীদের সংখ্যা কমছে। আজ শনিবার একই দাবিতে দুইজন চাকরি প্রত্যাশী শিক্ষার্থীকে অবস্থান নিতে দেখা যায়।
৩৫ প্রত্যাশী শিক্ষার্থী সমন্বয় পরিষদ, কেন্দ্রীয় কমিটি আহ্বায়ক মো. শরিফুল হাসান শুভর নেতৃত্বে অবস্থান কর্মসূচি পালন করে আসছে তারা। এর আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির কার্যালয়ে একই দাবিতে ব্রিফিং করেছিলেন তারা।
সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ইতোমধ্যে ৩২ করেছে অন্তবর্তীকালীন সরকার। তবে সেটিকে বাড়িয়ে ৩৫ বছর করার দাবি করেছে ৩৫ প্রত্যাশী শিক্ষার্থী সমন্বয় পরিষদ।
চাকরি প্রত্যাশী সাধারণ শিক্ষার্থীবৃন্দের ব্যানারে লেখা রয়েছে— “মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের দৃষ্টি আকর্ষণ করে চাকরিতে আবেদনের বয়সসীমা আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী সর্বনিম্ন ৩৫ বছর এবং অস্থায়ীভাবে ৪০ বছর/ ৩ বছরের ব্যাকডেট করা।অর্থাৎ আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী চাকরিতে আবেদনের বয়সসীমা যৌক্তিক সংস্কার চেয়ে ১৯ এপ্রিল ২০২৬ ইং তারিখ রোজ রবিবার হতে প্রতিদিন বিকাল ৫ ঘটিকা হতে রাত ৮ টা পর্যন্ত অবস্থান কর্মসূচি।”
আজ ৩৫তম দিনে অবস্থান কর্মসূচিতে উপস্থিত দুই চাকরি প্রত্যাশী শিক্ষার্থী হলেন— কবি নজরুল সরকারি কলেজের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী মো. ফেরদৌস বিশ্বাস ও তিতুমীর কলেজের ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থী মো. রুবেল মিয়া। তাদের সঙ্গে কথা হয়। তারা জানান, আমাদের এই আন্দোলনকালীন সময়ে তিনটি সরকার পরিবর্তন হলেও আমাদের দাবি পূরণ হয়নি। সারাদেশের লক্ষাধিক সদস্য তাদের সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছে। তারা প্রত্যেকে চাকরিতে প্রবেশের বয়স ৩৫ চায়।
মো. রুবেল মিয়া জানান, ‘আমরা আজ ৩৫তম দিনে অবস্থান নিয়েছি, কোনো সুরাহা হয়নি। আমরা চাই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যেন আমাদের সমস্যাগুলো শুনেন এবং তাদের সিদ্ধান্ত আমাদের জানিয়ে দেন।’
তাদের মতে— দেশের মানুষের গড় আয় বেড়েছে, কর্মদক্ষতা বেড়েছে, সরকারি চাকরির অবসরের বয়সসীমা বেড়েছে, তবে চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বাড়েনি। তারা চায় সেটাকেও বাড়ানো হোক।
/এআর